Home পঃবঃ নির্বাচন ২০২১ WBElection2021: বরাদ্দ করা হয়নি টিফিন , প্রশিক্ষন বয়কটের ডাক ভোটকর্মীদের

WBElection2021: বরাদ্দ করা হয়নি টিফিন , প্রশিক্ষন বয়কটের ডাক ভোটকর্মীদের

wbelection 2021 dinhata WBElection2021
দিনহাটা কলেজে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষনের ছবি।

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহারঃ বিধানসভা নির্বাচনের (WBElection2021) দিনক্ষন ঘোষনা সময়ের অপেক্ষা। নির্বাচনের জন্য জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। জেলার ভোট কর্মীদের প্রথম দফার প্রশিক্ষন হয়ে গেছে। সেই প্রশিক্ষন ঘিরে শুরু হয়েছে বির্তক। ভোট কর্মীদের দাবি, প্রশিক্ষণের সময় বরাদ্দ টিফিন দেওয়া হয়নি। টিফিন বাবদ বরাদ্দ টাকা গায়েব করা হয়েছে।জেলা জুড়ে টিফিনের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।  সেই টাকা না পেলে দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষন তাঁরা নেবে না। সামাজিক মাধ্যমে অনেক ভোট কর্মী এবিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন।  এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। মন্তব্য পেলে আপডেট করা হবে। তবে কোচবিহার জেলা  প্রশাসনের একটি সুত্রে জানা গেছে, ২২ ফেব্রুয়ারী ভোট কর্মীদের টিফিন দেওয়ার নির্দেশ আসায় এই বিপত্তি। জরুরি ভিত্তিতে চেষ্টা করা হলেও কর্মী সংখ্যা বেশি হওয়াতে টিফিনের ব্যবস্থা করা যায়নি। পরবর্তী প্রশিক্ষনে টিফিনের ব্যবস্থা করা হবে।  

পেশায় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক তথা এবারের নির্বাচনে ভোট কর্মী অয়ন সরকার বলেন, কোচবিহার জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ২১ ফেব্রুয়ারী আমার নির্বাচনের প্রশিক্ষন হয়। সেই দিন ভোট কর্মীদের কোনও টিফিন দেওয়া হয়নি। অথচ প্রশিক্ষক আধিকারিদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা ছিল। পরে আমরা জানতে পারি আমাদের জন্য টিফিন বাবদ ১৭০ টাকা করে বরাদ্দ ছিল। সেই টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নিতির বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে ইমেল করে অভিযোগ করেছি । টিফিনের টাকা না পেলে দ্বিতীয় ট্রেনিং বয়কট করব আমরা। শীঘ্রই আন্দোলনে নামবো ভোট কর্মী ঐক্য মঞ্চয়ের পক্ষ থেকে।

বিজেপির রথে বিঘ্ন

পশ্চিম বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন দোরগোরায় এসে পৌছেছে। আগামী মাসেই হয়ত নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দিনক্ষন ঘোষনা করতে পারে। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ফাঁক রাখছে না জেলা প্রশাসন। ফেব্রুয়ারী মাসেই ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষন দেওয়া শুরু হয়েছে। সেই প্রশিক্ষনে ভোটকর্মীদের জন্য  টিফিন বরাদ্দ  না হওয়াতে বির্তক শুরু হয়েছে।

ভোটে (WBElection2021)প্রশিক্ষনে বির্তকের কারন

সারাদিন ধরে প্রথম দফায় ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ হয়েছে। দিনভর প্রশিক্ষণ নিলেও পানীয় জল ছাড়া অন্য কিছুর ব্যবস্থা ছিল না প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। বাধ্য হয়ে তাঁরা বাইরে থেকে খাবার কিনে খায়। চা ও বাইরে থেকে কিনে খেতে হয়েছে। অথচ প্রশিক্ষক আধিকারিকদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা ছিল। যদিও ভোট কর্মীদের মাথাপিছু  বরাদ্দ ছিল ১৭০ টাকা। ভোট কর্মী ও আধিকারিকদের মধ্যে এই বৈষম্যর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভোটকর্মীরা। সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার হয়েছে অনেক ভোটকর্মী। অনেকেই আবার নির্বাচন কমিশনে ইমেল করে দুর্নিতির বিষয়টি জানিয়েছেন।  

পরবর্তী ভোটের প্রশিক্ষণ

১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ২৩শে ফেব্রুয়ারী তা শেষ হয়েছে। সকাল দশটা থেকে পাঁচটা অবধি প্রশিক্ষণ চলেছিল। নিরপেক্ষ ও নির্বিঘ্নে ভোট পরিচালনার জন্য তাদের প্রশিক্ষণ হয়। ইভিএম সহ নানা বিষয়ে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণ ২৭ ফেব্রুয়ারী থেকে হবে। তবে টিফিনের ব্যবস্থা না হলে অনেকেই বয়কট করতে পারেন।

4 COMMENTS

Leave a Reply

%d bloggers like this:
Skip to toolbar